মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক শক্তি বাড়াচ্ছে ওয়াশিংটন। ইরানের ওপর চাপ সৃষ্টির লক্ষ্যে এপ্রিলের মধ্যে সেখানে নতুন করে ১০ হাজারের বেশি সেনা পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে এক প্রতিবেদনে বিষয়টি জানিয়েছে ওয়াশিংটন পোস্ট।
মার্কিন কর্মকর্তাদের মতে, এই পদক্ষেপের মাধ্যমে একদিকে যেমন আলোচনার টেবিলে ইরানকে নমনীয় করার চেষ্টা চলছে, অন্যদিকে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন হলে দেশটিতে বড় ধরনের সামরিক হামলা বা স্থল অভিযানের পথও খোলা রাখা হচ্ছে।
মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, নতুন করে পাঠানো এই বাহিনীর মধ্যে বিমানবাহী রণতরি ‘ইউএসএস জর্জ এইচ ডব্লিউ বুশ’ এবং এর পাহারায় থাকা যুদ্ধজাহাজগুলোতে অবস্থানরত প্রায় ছয় হাজার সেনা রয়েছেন। এছাড়া বক্সার অ্যামফিবিয়াস রেডি গ্রুপ এবং মেরিন কোরের টাস্কফোর্সসহ ১১তম মেরিন এক্সপেডিশনারি ইউনিটের আরও ৪ হাজার ২০০ সদস্য চলতি মাসের শেষ নাগাদ এই অঞ্চলে পৌঁছাবেন।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া ইরানের বিরুদ্ধে অভিযানে এ পর্যন্ত প্রায় ৫০ হাজার মার্কিন সেনা মোতায়েন করা হয়েছে বলে আগেই জানিয়েছিল পেন্টাগন।
জানা গেছে, ইউএসএস জর্জ এইচ ডব্লিউ বুশ বর্তমানে আফ্রিকা মহাদেশ ঘুরে সমুদ্রপথে মধ্যপ্রাচ্যের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। এটি পৌঁছালে ওই এলাকায় মার্কিন বিমানবাহী রণতরীর মোট সংখ্যা দাঁড়াবে তিনে।
বর্তমানে ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কন এবং ইউএসএস জেরাল্ড ফোর্ড মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থান করছে এবং রণতরী দুটি ইরানের বিরুদ্ধে অভিযানে অংশ নিচ্ছে।
আল জাজিরা স্বাধীনভাবে এই প্রতিবেদনের সত্যতা যাচাই করতে পারেনি। তবে এমন এক সময়ে এই খবরটি এলো, যখন বুধবার যুক্তরাষ্ট্র তাদের ঘোষিত নৌ-অবরোধ আরও জোরদার করেছে। ওয়াশিংটনের দাবি, এই অবরোধের ফলে ইরানের সামুদ্রিক বাণিজ্য পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।












